
সাংবাদিক, লেখক ও শিক্ষক সুদীপ্ত সালামের জন্ম ও বেড়ে ওঠা ঢাকায়। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাংলায় অনার্স ও এমএ করেছেন। ফটোগ্রাফি ও শিল্পকলার ইতিহাসে করেছেন ডিপ্লোমা কোর্স। পেশায় সাংবাদিক। কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় ও বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালস (বিইউপি)–এ খণ্ডকালীন শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

তিনি যেখানে হাত দিয়েছেন সেখানেই সোনা ফলেছে। বাংলা সিনেমায় তো তাক লাগানো অভিনয় করেছেনই, বলিউডেও ছিলেন অপ্রতিদ্বন্দ্বী। চাইলে শুধু অভিনয় করেই সুখে-শান্তিতে জীবনটা পার করে দিতে পারতেন উৎপল দত্ত।

বাংলাদেশের যে সিনেমাটি নিয়ে কথা বলব, তা আমার দেখা তো দূরের কথা, বাংলাদেশে মুক্তিই পায়নি। ভাবছেন, যে সিনেমা মুক্তিই পায়নি, তা নিয়ে আবার কথা কিসের! বিশ্বাস করুন, সিনেমাটি নিয়ে অনেক কথা ঠিকই আছে। হ্যাঁ—না দেখেও।

পুরস্কার জয়ের মধ্য দিয়ে বিজয়ীদের ক্যারিয়ার রাতারাতি ফুলেফেঁপে উঠে—এ নিয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হয়। একাডেমি অব মোশন পিকচার আর্টস অ্যান্ড সায়েন্সেস একটি টাকাও কাউকে দেয় না।

জীবনের শেষ তিরিশটি বছর তিনি লোকচক্ষুর আড়ালে ছিলেন। কেউ তাকে বলেনি তা করতে, ক্যামেরাও তার দিক থেকে মুখ ফিরিয়ে নেয়নি–তবুও তিনি বেছে নিয়েছিলেন একাকিত্বের জীবন।
এই সিনেমার বাজেট ছিল ৮ দশমিক ৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। কিন্তু তা আয় করেছিল প্রায় ১০০ মিলিয়ন ডলার। বলা হয়ে থাকে, দক্ষিণ কোরিয়ার ইতিহাসে আর কোনো সিনেমা বিদেশের মাটিতে এতটা আলোড়ন ফেলতে পারেনি।
পপকালচারে সাইকো গভীর ও ব্যাপক প্রভাব ফেলে এবং অস্থির ষাটের দশকে এক সুস্পষ্ট সাংস্কৃতিক পরিবর্তনের সূচনা করে। ইতালির জালো ধারা (সহিংসতা ও ইরোটিক ঘরানা) এবং আমেরিকার স্ল্যাশার ঘরানার ছবিগুলোর অনুপ্রেরণা হয়ে উঠেছে হিচককের সাইকো।

ইতালীয় আলোকচিত্রী সেকুন্দো পিয়ার জন্ম ১৮৫৫ সনে। তিনি আইনজীবী, রাজনীতিবিদ ও আলোকচিত্রী। তবে আলোকচিত্রী হিসেবেই সবাই তাকে চেনে। অসংখ্য ছবি তুলে নয়, একটি মাত্র ছবির জন্য তিনি চিরস্মরণীয় হয়ে আছেন। যিশু খ্রিস্টের মরদেহ যে কথিত কাফন দিয়ে মোড়ানো হয়েছিল তার প্রথম ছবি তুলেছিলেন তিনি। ধর্ম নয়, তিনি বিজ্ঞান ও
নয়াপল্টন পর্যন্ত যাব বলেই ঠিক করলাম। কখন কি হয়ে যায়—বলা তো যায় না। ভাবতে দেরি—হামলা হতে দেরি হলো না! গাড়িবহরটি বাংলামোটর এলাকায় আসতেই এক দল লোক লাঠিসোটা নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়ল। খালেদা জিয়াকে বহনকারী গাড়িসহ বেশ কয়েকটি গাড়ির কাচ ভেঙে ফেলে তারা।

‘রাশোমন ইফেক্ট’ কি জানেন তো? একটি মাত্র ঘটনাকে একাধিক দৃষ্টিকোণ থেকে দেখা। একটি ঘটনা যখন ঘটে তখন একেকজন একেকভাবে তা দেখে এবং বর্ণনা করে। একজনের বয়ান আরেকজনের বয়ানের একেবারে বিপরীত ও সাংঘর্ষিকও হতে পারে, এই অবস্থাকেই দর্শন ও মনোবিজ্ঞানে ‘রাশোমন ইফেক্ট’ বলে। শুনে অবাক হবেন, এই কথাটি এসেছে একটি জাপানি
রাত সাড়ে ৩টার দিকে ছায়ানট থেকে বের হই। শীতল ও সমাধিনীরব শহরের সুনসান সড়কে যেন আমি একা। পুরো শহরটাই যেন একটি হিমঘর—আমরা মরদেহ।

আশাহত হয়ে নিজের ফ্ল্যাট বিক্রি করে সিনেমা বানানোর সিদ্ধান্ত নেন লেখক। শেষমেশ ফ্ল্যাট বিক্রি করেছিলেন কিনা, তা জানা যায়নি। কিন্তু শ্যুটিং শুরু হলো। শ্যুটিং শুরুর পরপরই জানা গেল, আগুনের পরশমণি সরকারের ২৫ লাখ টাকার অনুদান পেয়েছে! শেষে তা দিয়ে সিনেমাটি শেষ করেন হুমায়ূন আহমেদ।

গল্পের গোড়াতেই জেনেছিলাম, ভিয়েতনাম ব্যুরোর পিকচার এডিটর ও ফটোসাংবাদিক হর্স্ট ফাস ছবিটির ক্যাপশন থেকে স্ট্রিঙ্গারের নাম সরিয়ে নিক উটের নাম বসিয়েছিলেন। সবার বক্তব্য পাওয়া গেলেও এই ফাসের বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি, তার আগেই তিনি মারা যান।